Header Ads

সদ্য স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া মণিপুর সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন

manipur,india,latest news,breaking news,hindi news,latest india news,manipur india,telangana latest news,manipur news,manipur today news,india tv news,ani news,india news,manipur breaking news today,indian news,latest news videos,latest english news,manipur separation from india,latest news in english,manipur independence from india,google news,manipur announced freedom from india,hindi news live,hindi news site

সদ্য স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া মণিপুর সম্পর্কে বিস্তারিত

‘দ্য মণিপুর স্টেট কাউন্সিল’।

ঘোষণা : ২৯ অক্টোবর ২০১৯

Dissident political leaders from the Indian state of Manipur on Tuesday said they were unilaterally declaring independence from India and forming a government-in-exile in Britain.

manipur-state-leaders-announce-independence-from-india bdj0bs.com. সদ্য স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া মণিপুর সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন
Two opposition leader declaring the Independence of Monipur State, India

আয়তন: 22,327 বর্গ কিলোমিটার
ঘনত্ব : 122/ বর্গ কিলোমিটার
জনসংখ্যা (2011): 2,966,889
শহুরে জনসংখ্যার অনুপাত % ( 2011): 32.45%
পুরুষ জনসংখ্যা (2011): 1,491,832
মহিলা জনসংখ্যা (2011): 1,475,057
জেলার সংখ্যা: 9
রাজধানী: ইম্ফল
নদীসমুহ: বরাক, ইম্ফল এবং আইরিল
অরণ্য ও জাতীয় উদ্যান: কেইবুল লামজাও জাতীয় উদ্যান, শিরুই জাতীয় উদ্যান
ভাষা: মণিপুরী, মেইতেই
প্রতিবেশী রাজ্য: আসাম, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম
রাষ্ট্রীয় পশু : সাঙ্গাই (লম্বা-শিংওয়ালা হরিণ)
রাষ্ট্রীয় পাখি: নোনগিন
রাষ্ট্রীয় বৃক্ষ : ভারতীয় মেহগনি
রাষ্ট্রীয় ফুল : লিলিয়াম ম্যাকিনিয়ে (লিলি)
সাক্ষরতার হার (2011): 75.48%
বিধানসভা নির্বাচনক্ষেত্র : 60
সংসদীয় নির্বাচনক্ষেত্র : 2

manipur announced independence from india,manipur independence from india,manipur separation from india,manipur independence manipur leaders,india,independent day of manipur,manipur declared independent,manipur independence,manipur india,indian media,manipur state,manipur,manipur news today live,manipur separation,independence day,manipur capital,manipur today news,manipur news today,independence,manipur latest

মণিপুর রাজ্যের মহারাজা লেইশেম্বা সানাজাওবা এর পক্ষে মণিপুরের স্বাধীনতার দাবিটি ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী ইয়ামবেন বিরেন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সমরজিত। এ সময় ২০১২ সালে মণিপুরে প্রথম প্রকাশ করা ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ পড়ে শোনান রাজ্যটির প্রবাসী নেতা সমরজিৎ।

http://serconmp.com/afu.php?zoneid=2945959

তাদের ভাষ্য, ‘মণিপুর স্টেট কনস্টিটিউশন অ্যাক্ট ১৯৪৭ এর অধীনে মণিপুর রাষ্ট্রের বৈধ সরকার গঠিত হয়েছিল। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট এটি ব্রিটিশ রাজ থেকে স্বাধীনতা পেয়েছিল। ১৯৪৯ সালে অ্যাক্ট লঙ্ঘন করে ভারত সরকার মণিপুর রাষ্ট্রকে আত্মীকরণ করে নেয়।’ কিন্তু সবসময়ই এখানে একপক্ষ স্বাধীনতার দাবিতে সক্রিয় ছিল।

manipur,manipur independence,india,manipur india,manipur independence from india,manipur announced independence from india,independence from india,manipur declared independence,manipur state,manipur independence from india. salai . neidp.,manipur declared independent,manipur independence declaration,manipur state council,separation from india,manipur has been declared,manipur state in india,independent church of india

ক্ষুদ্র এই রাজ্যটিতে ৩০ লক্ষ মানুষের বসবাস। এখানে ভারতীয় মিলিটারির অবস্থান সার্বক্ষণিক এবং মণিপুরের সাথে মায়ানমারের সীমান্ত আছে।

মৈতেই উপজাতির মানুষেরা প্রধানত রাজ্যের উপত্যকা অঞ্চলে বাস করে। এরাই রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী (জনসংখ্যার ৬০%)। মৈতেইরা পাঁচটি সামাজিক গোষ্ঠীতে বিভক্ত – মৈতেই মারুপ (এরা মৈতেই সংস্কৃতি ও মৈতেই ধর্মে বিশ্বাস করে), মৈতেই খ্রিস্টান, মৈতেই গৌর চৈতন্য (মৈতেই ধর্ম ও হিন্দুধর্ম উভয়েই বিশ্বাস করে), মৈতেই ব্রাহ্মণ (স্থানীয় নাম "বামোন" ও মৈতেই মুসলমান (স্থানীয় নাম মিয়া মৈতেই বা পাঙ্গাল)। মৈতেই বা মণিপুরি ভাষা তাদের মাতৃভাষা এবং এই রাজ্যের প্রধান সংযোগরক্ষাকারী ভাষা (লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা)।

জাতিসত্তা সংস্কৃতি ও ধর্ম:

মণিপুরে তিন গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের বাস: বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙান।
গন্ধর্বদের রাজত্বকালে মহাভারত-খ্যাত পঞ্চপাণ্ডবদের তৃতীয় ভ্রাতা অর্জুন মণিপুর রাজ্যে পরিভ্রমণে গিয়ে গন্ধর্ব রাজকন্যা চিত্রাঙ্গদার রূপে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে বিয়ে করেন। অর্জুনের সঙ্গে ক্ষত্রিয় যোদ্ধা যারা মণিপুর গিয়েছিল, তাদের অনেকে গন্ধর্ব কন্যাদের বিয়ে করে সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকে। অর্জুন ও চিত্রাঙ্গদার একমাত্র ঔরসজাত সন্তান বভ্রূবাহন মণিপুরের সিংহাসনে অধিপতি হন। মণিপুরে গন্ধর্বদের পরে আর্য-ক্ষত্রিয়দের শাসন শুরু হয়। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের পর যুধিষ্টির অশ্বমেধ যজ্ঞ করলে রাজা বভ্রূবাহন সেই যজ্ঞে যোগদান করতে মিথিলার রাজধানী হস্তিনায় গমন করেন। যজ্ঞশেষে মণিপুরে ফেরার সময় বভ্রূবাহন হস্তিনার বিষ্ণুপ্রিয়া মন্দিরস্থ অনন্তশায়ী সুবর্ণ ও বিশাল বিষ্ণুমূর্তি সঙ্গে নিয়ে আসেন। বিষ্ণুবিগ্রহ স্থাপনের পর থেকে মণিপুরের রাজধানী ‘বিষ্ণুপুর’ নামে পরিচিতি লাভ করতে থাকে। অর্জুনের বংশধর ক্ষত্রিয় বংশী এবং বিষ্ণুর উপাসক বলে তাদেরকে বিষ্ণুপ্রিয়া বলা হয়।

মোঙ্গলীয় তিব্বতিবর্মী-পরিবারের কুকি-চীন গোত্রভুক্ত মৈতৈগণ দশম-ত্রয়োদশ শতাব্দীর কোনো এক সময় চীন দেশ থেকে মণিপুরে প্রবেশ করেন। পৈরিতন নামে এক দলপতির নেতৃত্বে তারা মণিপুরের উত্তরে অবস্থিত কবরু পর্বতে উপনিবেশন স্থাপন করে। মৈতৈ মণিপুরীরা বিষ্ণুর উপাসক বিষ্ণুপ্রিয়া ও মৈতৈরা সনাতন বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষিত বলে পেঁয়াজ, রসুন ও মাংস খায় না।


পাঙান

কথিত আছে যে, মণিপুর রাজ্যে ভারতবর্ষের কোনো এক অঞ্চলের পাঠান মুসলিম ব্যবসা-বাণিজ্য করতে মণিপুর গেছেন। তাঁদের একজন এক মৈতৈ মণিপুরী মেয়ের সঙ্গে প্রেমে আবদ্ধ হন এবং তাঁকে বিবাহ করে সন্তানাদিসহ সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকেন। মা মৈতৈই ও পিতা পাঠান মুসলিম বংশোদ্ভূত সম্প্রদায়কে পাঙান জাতি বলে। তাদেরকে মণিপুরী মুসলিমও বলা হয়। তারা মায়ের ভাষায় কথা বলে এবং পিতার ইসলাম ধর্ম পালন করে। তারা পেঁয়াজ, রসুন ও মাংসভোজী। তাদের মেয়েরাও বিষ্ণুপ্রিয়া ও মৈতৈই মেয়েদের মতো নিজস্ব উৎপাদিত পোশাক-পরিচ্ছদ পরিধান করে।

সনাতনধর্মী মণিপুরীরা সাধারণত সাংস্কৃতিক জাতি হিসেবে উদারপন্থী। তাদের নারী-পুরুষদের মধ্যে মানববন্ধনে যুবক-যুবতী/নারী-পুরুষ একসঙ্গে খেলাধুলা, গান-বাজনা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে স্বাভাবিক চলাফেরা ও মেলামেশায় অভ্যস্ত। তাদের ছেলে-মেয়ে, নারী-পুরুষ সবাই নৃত্যগীতে অংশ গ্রহণ করে। পাঙান সম্প্রদায়ের মেয়ে-ছেলে ইসলামিক শরিয়ত অনুসরণ করার চেষ্টা করে।


আরও পড়ুনঃ


Powered by Blogger.